MBA করেও পাননি চাকরি, চা বিক্রি করে আজ কোটিপতি ভারতের এই যুবক!

MBA করেও পাননি চাকরি, চা বিক্রি করে আজ কোটিপতি ভারতের এই যুবক!


চা বিক্রি করে যদি প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়, তাহলে চা বিক্রি করে কেন কোটিপতি হওয়া যাবে না? নি’শ্চয়ই যাবে, আজকে আপনাদের বলব এমনই একজন মানুষের কথা,যার জীবন ছিল যেন একটা রূপকথার মতো। যার জীবনের কথা শুনলে আরো একবার মনে হবে, এভাবেও ফিরে আসা যায়।

MBA করেও পাননি চাকরি, চা বিক্রি করে আজ কোটিপতি ভারতের এই যুবক!

গল্পটি একটি সাধারন ছেলের। প্রতিবছর হাজার হাজার পরীক্ষার্থী ক্যাট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এই ছেলেটির প্রতি বছর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার জন্য রাত জেগে পড়ত। কিন্তু টানা তিনবার আপ্রাণ চেষ্টা করার পরেও উর্ত্তীন্ন হতে পারেনি ক্যাট পরীক্ষা। নিজের জীবনের আসল মূল্য যেন হারিয়ে ফেলেছিল সে।

আরো পড়ুন -  নিজের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে ছেলেকে বিয়ে, অবশেষে কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন মা

MBA করেও পাননি চাকরি, চা বিক্রি করে আজ কোটিপতি ভারতের এই যুবক!

বাবার থেকে টাকা নিয়ে কিছুদিন ঘুরে আসার জন্য বেরিয়ে পরলো বাড়ি থেকে। এরপর আমেদাবাদে এসে কিছু করার মনস্থির করল সে। প্রথমে ম্যাকডোনাল্ডের আউটলেট একটি ইন্টারভিউ দিয়ে কাজ শুরু করল সে। সার্ভিং বয়ের কাজ করলেও মন থেকে যেন কিছুতেই শা’ন্তি পাচ্ছিলোনা ছেলেটি। জীবন নিয়ে আক্ষেপ কোন ভাবেই কাটছিল না তার। আমেদাবাদের এমবিএ কলেজে ভর্তি হবার কথা বলে বাবার থেকে আট হাজার টাকা নিয়ে সেই টাকা দিয়ে একটি কেটলি, কাপ এবং চা তৈরি করার সমস্ত সরঞ্জাম কিনে এরপর একটি দোকান ছেলেটি।

আরো পড়ুন -  স্যার বলেছিল, ‘জীবনে তোর কিচ্ছু হবে না’, সেই ছাত্র আজ অস্ট্রেলিয়ায় ১০ কোটির মালিক

MBA করেও পাননি চাকরি, চা বিক্রি করে আজ কোটিপতি ভারতের এই যুবক!

কজন ভদ্র ইংরেজি বলা চাওলা দেখে সকলেই আগ্রহ দেখানো শুরু করল। ৫ থেকে ১০০ হতে বেশি সময় লাগেনি। দুই সপ্তাহের মধ্যেই তার ব্যবসা এতটাই বেড়ে গেল যে, আশেপাশের মানুষেরা ঈর্ষান্বিত হতে থাকলো। জোর করে দোকান তুলে দেওয়া হলে ছেলেটি। চাওলা চলে গেলেও তার খোঁজ পড়তে শুরু করল সকলের মধ্যে। ইনস্টাগ্রাম থেকে ফেসবুক, সব জায়গায় তাকে একবার দেখার জন্য খোঁজ শুরু হলো। ছেলেটি আমেদাবাদের একটি হাসপাতালে মধ্যে দোকান দেয় এরপর।

আরো পড়ুন -  এম এ পাশ করেও পান নি চাকরি, অভাবের তাড়নায় ট্রেনে হকারী করে সংসার চালান প্রতিবন্ধী এই যুবক

MBA করেও পাননি চাকরি, চা বিক্রি করে আজ কোটিপতি ভারতের এই যুবক!

তবে চা ‘বিক্রি করার পাশাপাশি,গ্রাহকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের নিত্য নতুন ভাবনা ও দিত সে। এরপর বাবাকে মিথ্যা কথা বলে আরো ৫০ হাজার টাকা চেয়ে নেয় ছেলেটি। বাবা যাতে মিথ্যা কথা ধরতে না পারে,তার জন্য আমেদাবাদের একটি কলেজে ভর্তি হয়ে যায় সে। তবে কলেজে ক্লাস না করে একটি দোকান খুলে বসে। নাম দেয় “এমবিএ চাওয়ালা”। আমেদাবাদের চায়ের দোকান এবং পদবীর আগে মিস্টার শব্দ জুড়ে দিয়েছিল সে। তার দোকান আজ একটি প্র’তিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।