ইন্দ্রানী থেকে মনামী, বাংলার কিছু প্রতিভাবান অভিনেত্রী, অভিনয়ের গুনে যারা হয়ে উঠেছেন সকলের ঘরের মেয়ে

ইন্দ্রানী থেকে মনামী, বাংলার কিছু প্রতিভাবান অভিনেত্রী, অভিনয়ের গুনে যারা হয়ে উঠেছেন সকলের ঘরের মেয়ে


নারী যেমন ঘর সংসার সামলাতে পারে তেমন বাইরের জগতে বা নিজের কর্মক্ষেত্রে ও সমান পারদর্শীতার পরিচয় দিয়ে থাকে। নারীকে বলা হয় দশভূজা। আজ এই প্রতিবেদনে এই রকম কিছু দশভূজার গল্প উপস্থাপনা করব যারা অভিনয় জগতে এখনো ও নিজেদের দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে চলেছেন। তারা এখনও টেলিভিশনের পর্দায় ও তাদের অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে একই ভাবে মানুষের মনে বিশেষ জায়গা জুড়ে আছেন।

এক সময়ে মডেলিং দিয়ে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন,এরপর রবির আলো, এ ছুটি, বাই বাই ব্যাংকক সহ বহু বাংলা সিনেমায় তাকে দেখা গিয়েছে, এবং বধূবরনে জাঁদরেল শাশুড়ির ভূমিকায় অভিনয় করেছে এই বয়সে ও দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন অঞ্জনা বসু। আর বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টির একজন সদস্য তিনি এক দিকে অভিনয় অন্যদিকে রাজনীতি সামলাচ্ছেন একা তিনি।

আরো পড়ুন -  ‘অপয়া' অভিনেতা যীশু আজ সুপারস্টার! সিনেমার গল্পকেও হার মানাবে তার জীবনের কাহিনী

বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় দিলদরিয়া অভিনেত্রী হলেন অপাদি বা অপরাজিতাদি। এখন অপাদির বয়স ৪৩, কিন্তু দিন দিন তিনি আরও সুন্দর মিষ্টি হয়ে উঠছেন, শুভ মহরৎ, প্রাক্তন, ওপেন টি বায়োস্কোপ, গয়নার বাক্স, হামি, একের পর এক মুভিতে অপরাজিতা তার অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। আর বর্তমানে তাঁকে একটি রান্নার শো এর সঞ্চালনা করতে দেখা যায়।

‘দিন প্রতিদিন’ থেকে কেরিয়ার শুরু করে একটা সময়, সুবর্ণলতা, ঋতুপর্ণ ঘোষ” এর “আবহমান ২০০৯”, যা মুক্তি পায় ২০১০ সালে, এবং ২০১২ সালে “কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়” পরিচালিত “মেঘে ঢাকা তারা” বাংলা সিনেমায় নীলকান্ত বাগচীর স্ত্রী দুর্গা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন অনন্যা চাটার্জি।এরপর তাকে সম্প্রতি মোহমায়া’ ওয়েব সিরিজে দেখা গিয়েছিল। শিশু শিল্পী হিসেবে, ‘তেরো পার্বণ’ সিরিয়াল নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে জগতে প্রবেশ করে ছিলেন এরপর ‘কুয়াশা যখন’, ‘ফকির’, ‘গোয়েন্দা গিন্নি’, ‘দহন’ ও ‘ঝিনুকের’ মত একের পর এক ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে ইন্দ্রানী হালদারকে । অভিনেত্রী বর্তমানে অসহায়, দুঃস্থ বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটান, এবং ছোট পর্দায় ‘শ্রীময়ী’ ধারাবাহিকে অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

আরো পড়ুন -  শ্রীমাকে প্রথম দেখাতে ভালো লাগলেও শোলাঙ্কির সাথেই ‘গাঁটছড়া’ বাঁধবেন গৌরব

বসিরহাটের মেয়ে ১৯৯৭ সালে সমরেশ মজুমদার রচিত উপন্যাস ‘সাত কাহন’ অবলম্বনে দেবীদাস ভট্টাচার্য্যের টেলিভিশনের চলচ্চিত্রের নায়িকা চরিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে অভিনয় জগতে প্রবেশ করেছিলেন মনামী ঘোষ। তাকে দেখলে মনে হয় তার বয়সে সবে মাত্র কুড়ি কি তেইশ পেরিয়েছে, যদিও তিনি বর্তমানে ৪০ এর দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়াও ‘এক আকাশের নিচে’, ইরাবতীর ধারাবাহিকে বর্তমানে লিড রোলে দেখা গিয়েছে তাঁকে, তিনি খুবই ঘুরতে পছন্দ করেন তার তাই তিনি তার ব্যস্ত জীবনের মাঝে সময় বের করে ঘুরতে চলে যান পাহাড়ের কোলে।

আরো পড়ুন -  বারবার বিয়ে, একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক, রইল পরীমনির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তালিকা

মৌমিতা গুপ্ত ‘ এক আকাশের নীচে’ , ‘একদিন প্রতিদিন’ এই ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয় জগতে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। অভিনেত্রী যখন রেগে যান তখন দর্শকরাও ভয় পেয়ে যান, বর্তমানে তিনি বাংলা ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রের এক জনপ্রিয় মুখ। বাংলায় বড় পর্দায় হোক কিংবা ছোটো পর্দায় এই অভিনেত্রীরা সর্ব ক্ষেত্রে তাদের অভিনয় দক্ষতার বিশেষ পরিচয় দিয়ে দর্শক মহলে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়টি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।