দাদার কীর্তি থেকে গুরুদক্ষিণায় অভিনয় ছিল প্রশংসনীয়, অভিনেতার জন্মদিনে স্মৃতিচারণ বুম্বাদার

দাদার কীর্তি থেকে গুরুদক্ষিণায় অভিনয় ছিল প্রশংসনীয়, অভিনেতার জন্মদিনে স্মৃতিচারণ বুম্বাদার

দুজনেই খুব ভালো বন্ধু ছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে এবং সমসাময়িকও বটে। তারা হলেন প্রয়াত অভিনেতা তাপস পাল ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বন্ধু তাপসের জন্মদিনে একরাশ শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা নিয়ে নিজের মনের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্ত করলেন প্রসেনজিৎ। জানালেন,দাদার কীর্তি থেকে গুরুদক্ষিণা সব ছবিতেই স্বমহিমায় উজ্জ্বল ছিলেন তাপস। তাপসের ব্যাপারে জানা অজানা কথা শেয়ার করলেন তিনি

কিন্তু অভিনয় জীবনে কিভাবে প্রবেশ তাপসের? একদিন ট্রেনে তাকে দেখে নেন “দাদার কীর্তি” ছবির সহকারী পরিচালক। ব্যাস দেখেই তাপসকে মনে ধরে যায় তার,আর নিজের নতুন ছবির নায়ক হিসেবে নির্বাচন করেন। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি,”গুরুদক্ষিণা”,”সন্তান”,”বলিদান” “প্রাণের চেয়ে প্রিয়” “আপন আমার আপন”এসব সিনেমায় তাপস মানেই সুপারহিট। এদিন প্রসেনজিৎ লিখলেন,”দাদার কীর্তিব হোক বা গুরুদক্ষিণা, নয়নের আলো হোক বা ত্যাগ,তাপসের অসাধারণ সিনেমা তার শিল্পসত্তা তুলে ধরেছে আমাদের সামনে।

ডাক্তারি পড়তে গিয়ে হয়েছিলেন অভিনেতা। ভারী রসিক মানুষ ছিলেন তাপস পাল। খাওয়া ছিল তার প্রিয় কাজ। শুটিং সেটে নিজে খেতেন আর সবাইকে খাওয়াতেন। এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ বলেছিলেন,আমাদের মধ্যে কখনো যে বিরোধ হয়নি, তা না। কিন্তু সেটা স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা,কাজ নিয়ে বিরোধ। পরিচালকের বাড়িতে গিয়ে বলতাম, দাদা এই সিনেমাটা আমাকে দিন,আবার তাপস বলতো,এই ছবি আমায় না দিয়ে বুম্বাকে দিন” এমনই মধুর সম্পর্ক ছিল দুই বন্ধুর মধ্যে।

“উত্তরা”, “মন্দ মেয়ের উপাখ্যান” ছবিতে নিজের ঘরের ছেলে ইমেজ পাল্টে ফেলেছিলেন তাপস পাল। অভিনয় করার সাথে সাথে রাজনীতির আঙিনায় এসেছিলেন তাপস। সাংসদ হয়েছিলেন কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে। ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাপসের মৃত্যুর খবরে শিহরিত হয়ে উঠেছিলেন বুম্বা। বাংলা সিনেমা হারিয়েছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে