প্রেমিকা শর্মিলাকে তাক করেই ছক্কা হাঁকাতেন, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এক চোখ হারিয়েও দুর্দান্ত খেলতেন নবাব মনসুর

প্রেমিকা শর্মিলাকে তাক করেই ছক্কা হাঁকাতেন, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এক চোখ হারিয়েও দুর্দান্ত খেলতেন নবাব মনসুর


জনপ্রিয় অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরকে আমরা সকলেই চিনি। অনেক বছর ধরে তিনি ভালো ভালো সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। তার বিয়ে হয়েছিল ভোপালের নবাব বংশে। তার স্বামী ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক নবাব মনসুর আলী খান পতৌদি। তার জন্ম হয়েছিল ১৯৪১ সালে। তিনি বেঁচে থাকলে তার ৮০ বছরের জন্মদিন পালন করা হতো। সৌরভ গাঙ্গুলী ও বিরাট কোহলির আগেও মনসুর আলী খান জনপ্রিয় ক্রিকেটার ছিলেন।

আরো পড়ুন -  'রাজনীতি শিল্পীদের কাছে বিকল্প হলে মানুষের জন্য তা বিপদের', বিস্ফোরক ঋত্বিক চক্রবর্তী

তিনি ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন মাত্র ২১ বছর বয়সে। তাকে টাইগার বলা হত। কোনো সিনেমার থেকে কম নয় তার জীবনটা। অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে তার প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। তবে এই ক্রিকেটারের গোটা জীবনটা একটা ট্রাজেডি ছিল। শোনা যায় তিনি দুর্ঘটনায় তার চোখ হারিয়ে ছিলেন। তিনি মাত্র ১১ বছর বয়সে তার বাবাকে হারিয়েছেন। তারপর টাইগার চলে গেছিলেন ইংল্যান্ডে। সেখানে তিনি তার পড়াশোনা করেন।

আরো পড়ুন -  Suhana Khan: দাদা আরিয়ানের গ্রেফতারির পর প্রথম মুখ খুললেন সুহানা খান, ইন্সটাতে দিলেন বিশেষ বার্তা

তিনি তার চোখ হারিয়েছেন ১৯৬১ সালের ভয়াবহ দুর্ঘটনাতে। দুর্ঘটনাটি ঘটে ছিল ইংল্যান্ডে। তার চোখে গেঁথে গিয়েছিল গাড়ির ভাঙ্গা কাঁচ। সময়মতো তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় তার চোখ ভাল করা যায়নি। ডান চোখের রেটিনা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল টাইগারের। সেই বছরই তার অভিষেক হয় ক্রিকেটে। ক্রিকেটে তিনি ১০৩ রান করেছিলেন সে সময়।

তিনি নিজের আত্মজীবনী ও লিখেছেন। সেখানে তিনি তার চোখ হারানোর অভিজ্ঞতার কথা লিখে রেখেছেন। চোখ হারানোর পর যে তিনি ক্রিকেট খেলতে পারবেন সে কথা তিনি ভাবতেই পারেননি বলে লিখেছেন। শর্মিলা ঠাকুরকে তিনি প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলেন। কিন্তু তাদের ধর্ম আলাদা ছিল বলে সেই প্রেম সহজ হয়নি। শোনা যায় যে নবাব ছক্কা হাঁকাতেন শর্মিলা ঠাকুর মাঠে গেলে। তিনি একথা স্বীকার করেছেন যে তিনি শর্মিলাকে তাক করেই নাকি ছক্কা হাঁকাতেন। তাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৬৯ সালে।

আরো পড়ুন -  তৈরি হচ্ছে মহাভারতের মর্ডান ভারসন, দ্রৌপদী হচ্ছেন রিয়া চক্রবর্তী