উচ্ছে বাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ, সব ভুলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে মিঠাই!

উচ্ছে বাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ, সব ভুলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে মিঠাই!

অবশেষে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেল মিঠাই ও সিদ্ধার্থর। ‘মিঠাই’ সিরিয়ালের এই মোড় দর্শকদের হতাশ করেছে। অনেকে এখনই মিস করতে শুরু করেছেন মিঠাই ও উচ্ছেবাবুর রসায়নকে। কিন্তু বাংলা সিরিয়ালে শাশুড়ি-বৌ, পরকীয়া সব কিছুর উর্ধ্বে উঠে এই প্রথম ঘোষিত হল নারীর জয়গান।

আদালতে সিদ্ধার্থর সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ মাথা পেতে নিয়ে তাকে বিবাহ বিচ্ছেদ দেয় মিঠাই। তার মহত্ত্বে অবাক হয়ে যান উকিল জ‍্যাঠামশাই। মিঠাই তাঁকে বলে, মিঠাই-এর জন্য তাঁর অসম্মান হয়েছে। কিন্তু জ‍্যাঠামশাই বলেন, তিনি মিঠাই-এর জন্য গর্বিত। সারাজীবন তিনি মিঠাই-এর পাশে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। মিঠাই বলে, সে এবার নিজের মতো করে বাঁচবে।

মিঠাই-এর মুখের এই কথাগুলি যেন এক নারীর চিরকালীন আত্মসম্মানের আকাঙ্খা। একটি পর্বে মিঠাইকে বলতে শোনা গিয়েছিল, সে মিষ্টির দোকান দেবে। মনোহরা নিয়ে এসে কলকাতার বুকে বিক্রি করবে। মিঠাই-এর মধ্যে সেদিন দেখা গিয়েছিল অগুণতি নারীদের যাঁরা ভোর হতে না হতেই মফস্বল থেকে ট্রেন ধরেন শহরে সব্জি বেচতে যাওয়ার জন্য। কেউ হয়তো যান আয়ার কাজে। মিঠাই সেই খেটে খাওয়া মেয়েদের প্রতিভূ।

সম্মান রক্ষার্থে মিঠাই-এর সঙ্গে সিদ্ধার্থর বিয়েতে সবাই দোষারোপ করেছিল মিঠাইকে। সিদ্ধার্থ মানতে পারেনি মিঠাইকে তার স্ত্রী হিসাবে। প্রতি মুহূর্তে মিঠাই-এর আত্মসম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। কিন্তু তবু মিঠাই হাসিমুখে থেকেছে। কিন্তু বিয়ের বন্ধন ছিন্ন হতেই মিঠাইকে দেখা গেল এক নতুন রূপে। আশা রইল, এবার কাহিনীও নেবে নতুন মোড় যেখানে মিঠাইকে সবাই দেখতে পাবেন একজন সফল মিষ্টি বিক্রেতা হিসাবে।