সিরিয়ালে সাপে নেউলে সম্পর্ক হলেও বাস্তবে প্রেমিক-প্রেমিকা! ক্রমশই প্রকাশ্য মিঠাই-সোমের প্রেমকাহিনী

সিরিয়ালে সাপে নেউলে সম্পর্ক হলেও বাস্তবে প্রেমিক-প্রেমিকা! ক্রমশই প্রকাশ্য মিঠাই-সোমের প্রেমকাহিনী


বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠাই (Mithai)। সম্প্রতি মিঠাই এর অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডুর (Soumitrisha Kundoo) বেশকিছু ইনস্টাগ্রাম রিল ভিডিও নেট মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই ভিডিও গুলিতে চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে উচ্ছেবাবুকে ছেড়ে বরদার সাথে রোমান্স ব্যস্ত হয়েছেন মিঠাই। কখনো ‘মেরে রাসকে কামার’ গানে আবার কখন ‘রাতা লম্বি হো’ গানে রোমান্স করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। যা দেখে নেট পাড়ার চক্ষু চড়কগাছ। অনেকেই সিদ্ধার্থকে ছেড়ে সোমের সাথে এমন রোমান্স করা মেনে নিতে পারেননি।

মিঠাই এবং সোমদার অনস্ক্রিন রসায়ন আদায়-কাঁচকলায় হলেও অফস্ক্রিন তাঁরা দুজনেই ভালো বন্ধু তা মাঝে মধ্যেই ধরা পড়ে ফোনের ক্যামেরাতেই। স্বভাবতই, এত সুন্দর সুন্দর গানের সাথে বারবার নিজেদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করার জন্য দর্শকের মনে নানা রকম প্রশ্ন ভিড় করছে। অনেকেই মনে করছেন, ‘আসল কেস টা আসলে কি?’ শুধু কি নিজেরা মজা করে এই ভিডিও বানিয়েছেন নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোন রহস্য! কিছুজন তো একেবারে একদম নিশ্চিত হয়ে পড়েছেন দুজনে হয়তো রিল লাইফ ছেড়ে রিয়েল লাইফে প্রেমে মশগুল।

সম্প্রতি নেট মাধ্যমের আনাচে-কানাচে চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে মিঠাই এবং সোমদার বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে যোগ করা হয়েছে, ‘এরা বাস্তবের প্রেমিক প্রেমিকা!’ আবার কেউ কেউ বলেছেন, ‘ধারাবাহিকে একে অপরের শত্রু হলেও বাস্তবে এরা প্রেম করছে।’ এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু এবং ধ্রুব সরকারকে (Dhruba Sarkar)। দুজনই একেবারে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন। বেশ কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি এখনও অবধি নিজের মনের মানুষকে খুঁজে পাননি। তিনি ঠিক কেমন মনের মানুষ চান সেই বিষয়েও জানিয়েছিলেন সেই সাক্ষাৎকারে।

সিরিয়ালে সাপে নেউলে সম্পর্ক হলেও বাস্তবে প্রেমিক-প্রেমিকা! ক্রমশই প্রকাশ্য মিঠাই-সোমের প্রেমকাহিনী

শুরুর পর থেকেই এই ধারাবাহিক টিআরপি রেটিংয়ে নিজের স্থান প্রথমে ধরে রেখেছে। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগেই ডিভোর্স পেপারে সই করে চলে গিয়েছিল সিদ্ধার্থ। সেই কথা বাড়িতে জানাজানি হতেই সকলের মন ভেঙেছে। হ্যাটট্রিক বিবাহ বন্ধন পর্ব অনুষ্ঠান হওয়ার দিনে সব ঘটনা জানতে পেরেছেন মিঠাইয়ের মা। তারপরেই মিঠাইকে নিজের বাড়ি জনাই ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মোদক পরিবার ছেড়ে নিজের বাপের বাড়ি ফিরে যাওয়া যায় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে ভেঙে পড়েছেন দাদাই। তিনি মনে করছেন ঘরের লক্ষী ছাড়া তাদের মোদক পরিবার একেবারে অচল।

সিদ্ধার্থের ভাইবোনেরা মনেপ্রাণে চাইছেন যেন কাছাকাছি আসে মিঠাই এবং সিদ্ধার্থ। দাদাভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে এমনই গিফট চেয়েছিলেন সবাই। তবে বিবাহ নামক ইনস্টিটিউশনে অবিশ্বাসী সিদ্ধার্থ কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারেনি তাঁর এবং মিঠাই এর বিয়ে। তার কাছে বিয়ে মানেই একটি যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি। তিনি যখন ছোট ছিলেন মাকে দেখেছেন চোখের সামনে কিভাবে প্রত্যেকটা দিন যন্ত্রণার সাথে কাটিয়েছেন তাঁর মা! মিঠাই বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নানা রকম অনুশোচনা ঘিরে ধরেছে দাদাইকে। তাই ভেবেচিন্তে মনোহরা ছেড়ে চলে যাওয়ার চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দাদাই।

আরো পড়ুন -  প্রথম ছবিতেই বাজিমাত, রাতারাতি সুপারস্টার হয়ে ওঠা হৃত্বিকের সাফল্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিয়েছিল শাহরুখ খানকে