নেপোটিজমের শিকার ধর্মেন্দ্র! এই দুই নায়কের জন্য পাননি সেরা অভিনেতার পুরস্কার

নেপোটিজমের শিকার ধর্মেন্দ্র! এই দুই নায়কের জন্য পাননি সেরা অভিনেতার পুরস্কার


সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর সময় নেপোটিজম নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। শুধু কি চর্চা এর বিরোধিতা করতেও দেখা গিয়েছিল দর্শকদের। এরই সাথে বলিউডে এক ঘরে করে দেওয়ার খবরও সামনে এসেছিল তখন তবে। এই ঘটনা যে শুধু সুশান্ত সিংহের সাথে ঘটেছে তাই নয়। এই বিষয় নিয়ে অনেককেই মুখ খুলতে দেখা যায় তখন। এমনকি এর থেকে হি-ম্যান ধর্মেন্দ্রও নিস্তার পাননি। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই বলিউডে এই দলবাজি চলে আসছে। ধর্মেন্দ্রর প্রভাব সেই দর্শকদের উপর পড়েছে। এমন সময় রাজেশ খান্না পা রাখেন বলিউডে। এরপর একের পর এক হিট ছবি দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যান তিনি। তাঁর বাড়ির বাইরে লাইন দিতে শুরু করেন পরিচালকরা।

আরো পড়ুন -  গালে চুমু খেয়ে 'আপনি' থেকে স্ট্রেট ‘তুমি’! ঊর্মি সাত্যকির মিষ্টি প্রেমে মজেছেন ভক্তরা

খবর, সেই সময় প্রযোজক-পরিচালক এবং অনুগামী অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে একটি আলাদা দল তৈরি করেন তিনি, যাতে কোনও ভাল চরিত্র অন্য কারও কাছে না যায়। কোনও ভাবে যদি কোনও ভাল চরিত্র অন্য কারও কাছে চলেও যেত, তাহলে সেই অভিনেতার সম্পর্কে নানা কথা রটিয়ে, কাজ ভাঙিয়ে আনারও অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

আরো পড়ুন -  ট্যালেন্টের জোরেই এসেছে জয়! রইল ইন্ডিয়ান আইডল জয়ী পবনদীপের আসল পরিচয়

রাজেশ খান্নার এই দলাদলির হাত থেকে কোনওরকমে টিকেছিলেন, ধর্মেন্দ্র এবং মনোজকুমার। মনোজকুমার বেছে বেছে কাজ করতেন। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনার কাজও শুরু করেন তিনি। আর ধর্মেন্দ্র শুধু অভিনয়েই মন দিয়েছিলেন। তবে দলবাজিতে আপত্তি ছিল তাঁর। তাই কারও পদলেহন করার চেয়ে নিজের যোগ্যতায় কাজ পাওয়ায় মন দেন তিনি।

দলবাজিতে যোগ দেননি বলে ইন্ডাস্ট্রি তাঁকেও প্রাপ্য সম্মান দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শত্রুঘ্ন সিনহাও। এমনকি গোবিন্দার মতো অভিনেতাকেও ইন্ডাস্ট্রি প্রাপ্য সম্মান দেয়নি বলে অভিযোগ করেন শত্রুঘ্ন। তাছাড়া কাপুর পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও দলবাজির জেরে একসময় কোণঠাসা হয়ে পড়েন ঋষি কপূরও। নিজের আত্মজীবনীতে অভিযোগ করেন প্রয়াত ঋষি কাপুর। তিনি জানান, একের পর এক হিট ছবি দিলেও, একামাত্র অমিতাভই গুরুত্ব পেতেন ইন্ডাস্ট্রিতে। একসঙ্গে ছবি করলে, ভাল চরিত্রটি অমিতাভের জন্য আগে থেকে বেছে রেখে দিতেন পরিচালক-প্রযোজকরা। তাঁকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র দেওয়া হতো। অর্থাৎ এটা স্পষ্ট করেছেন বলিউডের অনেকেই যে এই দলবাজি এবং একঘরে করে দেওয়ার চল সেই বহু আগে থেকেই।

আরো পড়ুন -  সেরা ১০টি বাংলা সিরিয়াল যা সবসময় সুপারহিট, কোনওদিনও ভুলবে না বাঙালি দর্শকরা