কোনো বিভেদ নয়, মায়ের প্রতি পরিচারিকার যত্ন নেওয়ার অবদান তুলে ধরলেন অপরাজিতা

কোনো বিভেদ নয়, মায়ের প্রতি পরিচারিকার যত্ন নেওয়ার অবদান তুলে ধরলেন অপরাজিতা


অপরাজিতা আঢ‍্য (Aparajita Adhya) হয়তো নিয়মিত কলাম লেখেন না। কিন্তু তিনি তাঁর লেখায় সবসময় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কথা তুলে ধরতে চেষ্টা করেন। এমনকি নিজেকে নিয়েও অকপট তিনি। কিন্তু এবার তিনি লিখলেন সরস্বতী (saraswati)-র কথা।

ইন্সটাগ্রামে একটি ছবি শেয়ার করেছেন অপরাজিতা। সেই ছবিটি একটি ঘরোয়া ছবি যাতে দেখা যাচ্ছে, অপরাজিতা, তাঁর মা এবং অবশ্যই সরস্বতীকে। সরস্বতী অপরাজিতার মায়ের দেখভাল করেন। চলতি বছরের 17 ই ফেব্রুয়ারি অপরাজিতার মা অসুস্থ হয়েছিলেন। সেই সময় সরস্বতী তাঁদের বাড়িতে আসেন অপরাজিতার মায়ের সেবিকা হিসাবে। সেই দিনটি থেকে এখনও সরস্বতী সমান তালে অপরাজিতার মায়ের দেখাশোনা করে চলেছেন। নতুন করে তাঁর বৃদ্ধা মাকে হাঁটতে শিখিয়েছেন সরস্বতী। অপরাজিতার মায়ের হাজার রাগ, বিরক্তি সহ্য করে, একই কথার উত্তর বারবার দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সরস্বতী।

আরো পড়ুন -  মিঠাইকে ভালোবেসে ফেলছেন উচ্ছেবাবু, সহ্য করতে পারছেন না বৌয়ের অপমান

অপরাজিতার মা যখন রাতে ঘুমান, তখন অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে পাহারায় থাকেন সরস্বতী যদি বৃদ্ধা, অশীতিপর মানুষটার কিছু প্রয়োজন হয়। অপরাজিতার অনেক বড় ভরসার জায়গা সরস্বতী। সরস্বতী তাঁর মায়ের কাছে থাকেন বলেই নিশ্চিন্তে শুটিংয়ে যান অপরাজিতা। তবে শুধুমাত্র সেলিব্রিটি হিসাবে নিজেকে শুটিং ফ্লোরে আবদ্ধ রাখেননি তিনি। করোনা আক্রান্ত মানুষের জন্যও সমানভাবে কাজ করছেন অপরাজিতা। সরস্বতী নিজের চোখের ঘুম হারিয়ে অপরাজিতাকে উপহার দিয়েছেন শান্তিপূর্ণ নিদ্রা। অপরাজিতা নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন, তিনি নিজে মেয়ে হয়েও তাঁর মায়ের এত সেবা কোনোদিন করেননি। অপরাজিতার সুপারহিরো সরস্বতী।

অপরাজিতা মনে করেন, সরস্বতীরা আছেন বলেই দেশে-বিদেশে মানুষ নিশ্চিন্তে তাঁদের বৃদ্ধা মা-বাবাদের রেখে বাড়ির বাইরে বেরোতে পারেন। সরস্বতীর মতো মানুষদের কুর্ণিশ জানিয়েছেন অপরাজিতা। অপরাজিতার কথা একদম খাঁটি। ঘরে ঘরে সরস্বতীরা নিত্যদিনের জীবনে বয়ে চলেন ফল্গুধারার মতো। তাঁদের খবর কজন রাখেন?