‘স্ত্রীর সঙ্গে একই ছাদের নীচে থাকতে একঘেয়ে লাগছে’, জানালেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য

‘স্ত্রীর সঙ্গে একই ছাদের নীচে থাকতে একঘেয়ে লাগছে’, জানালেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য

অনির্বাণ ভট্টাচার্য, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির স্বনামধন্য অভিনেতা তথা বাংলার ক্রাশ। বেশ কিছুদিন আগেই অভিনেতা তার প্রেমিকার সাথে সাত পাকে বাঁধা পড়েন। অনেকদিনের সম্পর্ক ছিল তাদের। অভিনয়ের পাশাপাশি বরাবরই একদম সোজাসাপ্টা কথা বলার জন্য অনির্বাণ ভক্তদের তথা দর্শক মহলে মন জয় করে নিয়েছেন। তবে এবার বলে বসলেন এক বেফাঁস কথা। হঠাৎই তিনি বললেন ‘স্ত্রীর সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকতে একঘেয়ে লাগছে।’ কিন্তু হঠাৎ কি এমন হল যে সুখী দাম্পত্য জীবন তিনি এভাবে ভেঙে দিতে চাইছেন? তাহলে কি অন্য কিছুর আশঙ্কা? নাকি অন্যকিছু সম্পর্কের সূত্র? বেশ কিছুদিন ধরেই টলিউডে লেগেই রয়েছে বিচ্ছেদের গল্প। তাহলে কি এবারে সেই খাতায় নাম লেখাতে চলেছেন অভিনেতা অনির্বাণ ?

অনির্বাণ বলেছেন স্ত্রীর সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকতে একঘেয়ে লাগছে এর মানে এই নয় যে ‘আমার ওকে একঘেয়ে লাগছে!’ আসলে সবাই যেমন লকডাউন এর কারণে রুটিনমাফিক দিন কাটাচ্ছি, ঠিক তেমনই হয়েছে জনপ্রিয় এই বাঙালি নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন কোথাও একান্তে সময় কাটাতে পারেননি স্ত্রীর সাথে, তাই তিনি স্ত্রীর সাথে একটু ঘুরতে যেতে চান।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা অনির্বাণ জানিয়েছেন ‘এই লকডাউন এর কারণে রবিবার আর আলাদা করে একটা বিশেষ দিন হয়ে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে।’ বাকি পাঁচ জনের মত অভিনেতার মতেও এখন সারা সপ্তাহ বাড়িতে থাকতে হচ্ছে বলে রবিবার তার বিশেষত্ব হারিয়ে ফেলেছে। লকডাউনের এই একঘেয়ে কিঞ্চিত পরিমাণে আলস্যের মধ্যেও ফেলেছে নায়ক কে। তিনি নিজে জানিয়েছেন , ‘অনেকদিন ধরেই আমার দাড়ি কামানো হচ্ছিল না , তা গালেই জমে যাচ্ছিল, অবশেষে বন্ধুদের কোথায় ফ্রেঞ্চ কাট করেছি মাত্র।’

এরপরেই নায়ক কে প্রশ্ন করা হয় দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে, সেই প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন বিয়ের পর থেকেই করোনার কারণে ‘ওর’ সাথে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি। তাই তিনি চান স্ত্রীকে নিয়ে একটু বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতে। তিনি আরো বলেন ‘জীবন বদলে গিয়েছে আগের চেয়ে, আর পাঁচটা বাঙালি পরিবারে যেমন বদল আসে আমার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে, তবে এই বদল আমি যে খুব একটা উপভোগ করছি না তা কিন্তু একেবারেই নয়।’ লকডাউন এর কারণে গৃহবন্দি হয়ে থাকতে ভালো লাগছে না নায়কের।

তবে অগত্যা উপায় না পেয়ে নায়ক এখন মজেছেন তার পুরোনো প্রেমে। অর্থাৎ তিনি এখন বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন। বই পড়ার শখ নায়ক এর অনেক দিন আগে থেকেই, তবে শুটিংয়ের কারণে তিনি সময় না পেয়ে বেশকিছুদিন বইয়ের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করেছিলেন। নতুন করে মন দিয়েছেন রাজ শেখর বসুর অনুবাদ করা মহাভারতে।